Pakistan Defence
Page 12 of 42 FirstFirst ... 2345678910111213141516171819202122 ... LastLast
Results 166 to 180 of 627
Thanks Tree1594Thanks

Beautiful Bangladesh




  1. #166
    SENIOR MEMBERS eastwatch's Avatar

    Join Date
    Jun 2008
    Location
    Tokyo
    Posts
    6,317
    Thanked
    5121 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Japan

    Default Re: Beautiful Bangladesh



    @kobiraaz, thanks for posting so many beautiful pictures.
    kobiraaz thanked this.

  2. #167
    FULL MEMBERS Lone's Avatar

    Join Date
    Jul 2011
    Location
    US
    Posts
    378
    Thanked
    377 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: United States

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    ...may be a bit low quality.........



    Project mohamaya






    St Martin...


    ..Cox's bazar
    eastwatch, kobiraaz, Avisheik and 1 others thanked this.

  3. #168
    FULL MEMBERS PlanetSoldier's Avatar

    Join Date
    Apr 2012
    Location
    Dhaka
    Posts
    1,561
    Thanked
    2356 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Bangladesh

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Quote Originally Posted by Avisheik View Post
    Dont know why this photo always reminds me of old bengali movies. There is a certain feel of aristocracy in this photo. Love to visit te place at least once
    Visit the place once, you'll have some other feeling than movies.....it's gorgeous .

  4. #169
    FULL MEMBERS M.H.J.'s Avatar

    Join Date
    Apr 2012
    Location
    Dhaka
    Posts
    159
    Thanked
    382 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Bangladesh

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    বান্দরবান ভ্রমণ [Bandarban]
    ---------------------------


    চট্টগ্রাম থেকে ৯২ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে পাহাড়ী শহর বান্দরবান। বান্দরবান জেলা হচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এর আয়তন ৪৪৭৯ বর্গ কিলোমিটার। প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের অবারিত সবুজের সমারোহ এবং মেঘে ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে যার আছে সে বাংলাদেশের পাহাড়ী কন্যা বান্দরবান ঘুরে আসতে পারেন। চলুন জেনে নেই বিস্তারিত।



    Hilly city Bandarban is located in 92 km South-East of Chittagong city. It's area nearly 4479 square km. To touch the cloud and see the lash green natural beauty you must go to Hilly daughter of Bangladesh, Bandarban. Here is the Details:



    দেখার মত জায়গাঃ [Attractive Locations]

    ১। নীলগিরি (Nilgiri)

    ২। স্বর্ণমন্দির (Golden Temple)

    ৩। মেঘলা (Meghla)

    ৪। শৈল প্রপাত (Shoilo Falls)

    ৫। নীলাচল (Nilachol)

    ৬। মিলনছড়ি (Milonchori)

    ৭। চিম্বুক (Chimbuk Hill)

    ৮। সাঙ্গু নদী (Sangu River)

    ৯। তাজিলডং (Tajindong Hill)

    ১০। কেওক্রাডং (Keokaradang Hill)

    ১১। জাদিপাই ঝরণা (Jadipai Falls)

    ১২। বগালেক (Boga Lake)

    ১৩। মিরিঞ্জা পর্যটন কমপ্লেক্স (Mirinja Tourist Complex)

    ১৪। প্রান্তিক লেক (Prantik Lake)

    ১৫। ঋজুক জলপ্রপাত (Rujuk Falls)

    ১৬। নাফাখুম জলপ্রপাত (Nafakhum Falls)

    এছাড়া বান্দরবানে কয়েকটি ঝিরি রয়েছে। যেমনঃ চিংড়ি ঝিরি, পাতাং ঝিরি, রুমানাপাড়া ঝিরি।

    There are few more Hilly water Flows (Jhiri), named: Chingri Jhiri, Patang Jhiri, Rumanapara Jhiri etc.



    যাতায়াতঃ

    ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে প্রথমে চট্টগ্রাম তারপর চট্টগ্রাম থেকে সোজা বান্দরবান; অথবা ডাইরেক্ট বান্দরবান যাওয়া যায়।



    ঢাকা থেকে বান্দরবান সরাসরিঃ

    ঢাকা থেকে বান্দরবান পযর্ন্ত ডাইরেক্ট নন এসি ভাড়া জনপ্রতিঃ ৪৮০ টাকা। (অক্টোবর, ২০১১)

    এস আলম ছাড়ে কমলাপুর রেল ষ্টেশনের বিপরীত কাউন্টার থেকে।



    ঢাকা থেকে চট্টগ্রামঃ

    ট্রেনে: এসি- ৩৬৫-৪৮০ টাকা। নন এসি-১৫০-১৬৫ টাকা।

    বাসে: এসি- ৫৮০-৭৯০ টাকা। নন এসি ২৫০-৩৫০ টাকা।



    চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবানঃ বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে পূরবী এবং পূর্বাণী নামক দুটি ডাইরেক্ট নন এসি বাস আছে।

    ৩০ মিঃ পর পর বান্দরবানের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রতিঃ ৭০-৮০ টাকা।

    বিঃ দ্রঃ এখানে উল্লেখ্য ভাড়া সমূহ ৪/৫ মাস আগের (জুন, ২০১১)।



    Transportation:

    You can go directly to Bandarban, or firstly Chittagong & then Bandarban.

    Dhaka to Bandarban Directly:

    Non-AC bus 480tk, Buses available in Fakirapul/ Saydabad of Dhaka city.



    Dhaka to Chittagong to Bandarban:

    Dhaka to Chittagong: Tran> AC 365-480tk, Non-AC 150-165tk

    Bus> AC 580-790tk, Non-AC 250-350tk

    Chittagong to Bandarban: Purobi & Purbani Bus are available from Boddarhat Bus Terminal of Chittagong city. Fare 70-80tk.



    কোথায় থাকবেন:



    হোটেল ফোর স্টার : (বান্দরবান সদর) Hotel Four Star (Banndarban City)

    সিঙ্গেল ৩০০ টাকা, ডাবল- ৬০০, ট্রিপল ৯০০ টাকা, এসি ডাবল- ১২০০ টাকা।, এসি ট্রিপল ১৫০০ টাকা।

    Single 300tk, Double 600tk, Triple 900tk, AC Double 1200tk, AC Triple 1500tk

    Phone: 0361-63566, 0361-62466, 01813278731, 01553421089



    হোটেল থ্রী স্টার : এটি বান্দরবান বাস স্টপের পাশে অবস্থিত। নীলগিরির গাড়ী এই হোটেলের সামনে থেকে ছাড়া হয়। এটি ৮/১০ জন থাকতে পারে ৪ বেডের এমন একটি ফ্ল্যাট। প্রতি নন এসি ফ্ল্যাট-২৫০০ টাকা, এসি-৩০০০ টাকা। বুকিং ফোন: থ্রী স্টার এবং ফোর ষ্টার হোটেল মালিক একজন, মানিক চৌধুরী-০১৫৫৩৪২১০৮৯।

    Hotel Three Star: situated beside Bandarban Bus Stop. Non-AC Flat 2500tk, AC Flat 300tk. For Booking: Manik Chowdhuri 01553421089



    হোটেল প্লাজা বান্দরবান: (সদর) Hotel Plaza Bandarban

    Single 400tk, Double 850tk, AC 1200tk.

    Booking Phone: 0361-63252



    হোটেল গ্রিন হিলঃ (বান্দরবান সদর) Hotel Green Hill

    Single 200tk, Double 350tk, Triple 500tk

    Phone: 0361-62514, Cell: 01820400877



    হোটেল হিল বার্ড (বান্দরবান সদর) Hotel Hill Bird

    Single 250tk, Double 400tk, Triple 550tk

    Phone: 0361-62441, Cell: 01823346382



    হোটেল পূরবীঃ (বান্দরবান সদর) Hotel Purobi

    AC Deluxe 1400tk, AC Room 1200tk, General Single 259tk,

    General Double 460tk, General Triple 600tk, General Couple 400tk

    Phone: 0361-62531, Cell: 0155 6742434





    নীলগিরি [Nilgiri]





    নীলগিরি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যটন কেন্দ্র। এ পর্যটন কেন্দ্রের উচ্চতা প্রায় ৩ হাজার ফুট। এটি বান্দরবান জেলার থানছি উপজেলায় অবস্থিত। বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্ব দিকে অবস্থিত এই পর্যটন কেনেদ্রর অবস্থান। এ পর্বতের পাশেই রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে অবহেলিত উপজাতী সম্প্রদায় ম্রো পল্লী। যাদের বিচিত্র সংস্কৃতি দেখার মত। বর্ষা মৌসুমে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রথেকে মেঘ ছোয়ার দূর্লভ সুযোগ রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নীলগিরি থেকে সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। বান্দরবানের সবচেয়ে সুন্দর ও আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র এটি। এটি সেনা তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এর পাশেই রয়েছে একটি সেনা ক্যাম্প। নিরিবিলিতে স্বপরিবারে কয়েক দিন কাটাতে এটি একটি আর্দশ জায়গা।



    Nilgiri is the highest tourist spot of Bangladesh with nearly 3000feet. It is situated in Dhanchi Upazila of Bandarban District. It is located in 45km South-East of Bandarban city. Tribal group 'Mro' lived there with a colorful culture. You can touch cloud from here in Rainy season. Both sunset and sun rise can be seen from here in Dry season. It is the most beautiful and modern tourist spot of Bandarban. It is managed by Bangladesh Army. It is ideal place for you to spend few of you days.



    যাতায়াতঃ

    পর্যটকদের নীলগিরি যেতে হলে বান্দরবান জেলা সদরের রুমা জীপষ্টেশন থেকে থানছিগামী জীপ অথবা বাসে করে নীলগিরি পর্যটন কেনেদ্র যাওয়া যায়। বান্দরবনা জীপ ষ্টেশন থেকে জীপ, ল্যান্ড রোভার, ল্যান্ড ক্রুজারসহ অন্যান্য হালকা গাড়ী ভাড়ায় পাওয়া যায়। নীলগিরি যাওয়ার পথে সেনা চেকপোষ্টে পর্যটকদের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। বান্দরবান জেলা সদর থেকে সাধারণত বিকেল ৫ টার পর নীলগিরির উদ্দেশে কোন গাড়ী যেতে দেয়া হয় না।

    ভাড়াঃ সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত আসা-যাওয়া-ছোট জীপঃ (৫সিট) ২৩০০ টাকা এবং বড় জীপ (৮সিট) ২৮০০ টাকা।



    Transportation:

    Jeep and Bus are available in Ruma Jeep station towards Thanchi. Jeep, Land Rover, Land Cruser etc are available in Bandarban Jeep station. Army check-post collects detail information of the tourists. Transportation are not available towards Thanchi after 5pm. Small Jeep (5 seat) 2300tk and Large Jeep (8 seat) 2800tk.



    নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান জেলা সদর থেকে দিনে গিয়ে দিনে ফিরে আসা যায়। এ ছাড়া নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র রাত্রি যাপনের জন্য বান্দরবান সদর সেনা রিজিয়নে বুকিং দেয়া যায়। তাছাড়া নীলগিরি পর্যটনে গিয়ে সরাসরি বুকিং করা যায়। বান্দরবান জেলা সদর থেকে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় অধিকাংশ পর্যটক দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসেন।



    You can complete Nilgiri travel in one day from Bandarban. Moreover, you can book Nilgiti Tourist Center for Night hold. Booking can be made in Army region or directly to the Tourist center. But most of the tourist use one day, because transportation system is well developed.



    সাধারন পর্যটকের জন্য নীলগিরি কর্টেজ বুকিং ব্যবস্থাঃ

    পেট্রো এভিয়েশন

    ৬৯/২, লেভেল-৪,রোড-৭/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।

    ফোন:-মনতোষ মজুমদারঃ ০১৭৩০০৪৩৬০৩ এবং হাসান সাহেদঃ ০১৭৩০০৪৩৬০৩।



    You can book cotage from Dhaka:

    Petro Aviation

    69/2, Level 4, Road 7/A, Dhanmandi, Dhaka.

    Phone: 01730043603



    কটেজ ভাড়া: Cotage Fare

    গিরি মারমেট: ৭৫০০ টাকা। (৮/১০ জন থাকতে পারবে)। Giri Mermaid 7500tk (8/10 persons)

    মেঘদূত: ৬৫০০ টাকা। (৮/১০ জন থাকতে পারবে)। Meghdut 6500 (8/10 persons)

    নীলাঙ্গনা: ৫৫০০ টাকা। (৪/৬ জন থাকতে পারবে ২ রুমে) কাপলরা ২৭৫০টাকায় ১ রুম ভাড়া পাবেন। Nilangona 5500tk (4/6 persons). Couples can get a room for 2750tk.





    স্বর্ণমন্দির [Golden Temple]





    বান্দরবানের উপশহর বালাঘাটাস্থ পুল পাড়া নামক স্থানে এর অবস্থান। বান্দরবান জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব ৪ কিলোমিটার। সুউচ্চ পাহাড়ের চুড়ার তৈরী সুদৃশ্য এ প্যাগোডা। এটি বুদ্ধ ধর্মালম্বীদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান । এখানে দেশ বিদেশ থেকে অনেক বুদ্ধ ধর্মালম্বী দেখতে এবং প্রার্থনা করতে আসেন। এর অপর নাম মহাসুখ প্রার্থনা পূরক বুদ্ধধাতু চেতী। গৌতমবুদ্ধের সম-সাময়িক কালে নির্মিত বিশ্বের সেরা কয়েকটি বুদ্ধ মুর্তির মধ্যে একটি এখানে রয়েছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প নির্মানাধীন রয়েছে। এই প্যাগোডাটি দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার সেরা গুলোর মধ্যে অন্যতম। এই সুউচ্চপাহাড়ের উপর দেবতা পুকুর নামে একটি পানি সম্বলিত ছোট পুকুর আছে।



    এই প্যাগোডা থেকে বান্দরবানের বালাঘাটা উপশহর ও এর আশপাশের সুন্দর নৈস্বর্গিকদৃশ্য দেখা যায়। এ ছাড়া বান্দরবান রেডিও ষ্টেশন, বান্দরবান চন্দ্রঘোনা যাওয়ার আকাঁবাকাঁ পথ ও দর্শনীয়। এই প্যাগোডা একটি আধুনিক ধর্মীয় স্থাপত্যের নিদর্শন। প্রতিবছর নিদ্দিষ্ট সময়ে এখানে মেলা বসে। এই প্যাগোডা বা জাদীটি স্বর্ণ মন্দির হিসেবেও পরিচিত। এ প্যাগোডাটি পুজারীদের জন্য সারাদিন খোলা থাকে আর ভিন্ন ধর্মাবলী দর্শনার্থীদের জন্য বিকেল ৫ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত খুলে দেওয়া হয় । প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ১০/-।



    A Buddhist Pagoda/temple, situated in the hill top of Balaghat, 4km away from Bandarban city. It is considered as one of the best Pagoda South-East Asia. There is a small pond over the hill, named Debota pond. Balaghat suburb and the surroundings can be seen from the hilltop. It is a sign of a modern religious structure. It is open for the tourist from 5pm to 7pm with 10tk entrance fee.



    রিক্সা অথবা টেক্সি করে যাওয়া যায় । রিক্সা ৩০-৩৫ টাকা এবং টেক্সি রিজার্ভ ১১০-১৩০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত এখানে গাড়ী চলাচল করে। ফোনঃ ০৩৬১৬২৬৯৫



    You can go to Golden Temple by Rickshaw (30-35tk) and Texi (110-130tk). Available from 8am to 10pm.





    মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র [Meghla Tourist Spot]

    https://fbcdn_sphotos_b-a.akamaihd.n...55753591_n.jpg



    বান্দরবান শহরের প্রবেশদ্বার বান্দরবান কেরাণীহাট সড়কের পাশেই পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স অবস্থিত। পাহাড়ের খাদে বাধঁ নির্মান করে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি করা হয়েছে । বান্দরবান শহর থেকে এর দূরত্ব ৪ কিলোমিটার। বেড়াতে আসা পর্যটকদের চিত্ত বিনোদনের জন্য এখানে রয়েছে শিশুপার্ক, নৌকা ভ্রমনের সুবিধা, ঝুলন্ত সেতুর মাধ্যমে চলাচলের ব্যবস্থা এবং সাময়িক অবস্থানের জন্য একটি রেষ্টহাউস। এছাড়া আকর্ষণীয় একটি চিড়িয়াখানা এ কমপ্লেক্সের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে বহুগুন। মেঘলায় ২টি ঝুলন্ত ব্রিজ রয়েছে। জনপ্রতি ১০/- মূল্যে টিকেট নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হয়। প্রতি বছর শীতের মৌসুমে সারা দেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক বেড়াতে আসেন। নিরিবিলিতে স্বপরিবারে বেড়ানোর জন্য একটি আদর্শ জায়গা ।



    Meghla Tourist Complex is situated in Hilly District Parishad area, beside Bandarban to Keranihat Road, which is 4km away from Bandarban city. Artificial lake is created by making dam in hill shaft. Children's park, Boat riding, hanging bridge and rest house are available here. Moreover, there is a zoo in this tourist complex. It is an ideal place for family tour. It is managed by Bandarban District Administration. Entry fee 10tk.

    https://fbcdn_sphotos_h-a.akamaihd.n...94803227_n.jpg



    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়াঃ

    মেঘলায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের খাবার ও রাত্রিযাপনের জন্য বান্দরবান শহরে কিছু মাঝারি মানের হোটেল রয়েছে। এছাড়া পর্যটকদের জন্য খাবার ও রাত্রিযাপনের জন্য পাশেই সু-ব্যবস্থা রয়েছে । মেঘলার পাশেই রয়েছে বান্দরবান পর্যটন মোটেল ও হলিডে ইন নামে দুইটি আধুনিক মানের পর্যটন কমপ্লেক্স। এখানে এসি ও নন এসি রুমসহ রাত্রি যাপন ও উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। ফোনঃ ৬২৯১৯। বান্দরবান বাস ষ্টেশন থেকে মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স যেতে লোকাল বাসে জনপ্রতি ১০-১২ টাকা এবং টেক্সি রিজার্ভ ১০০-১২০ টাকা, এবং ল্যান্ড ক্রোজার, ল্যান্ড রোভার ও চাঁদের গাড়ী ৪৫০-৫০০/- টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে।



    বান্দরবনে পর্যটন কর্পোরেশনের একটি হোটেল আছে মেঘলাতে।

    যার ভাড়া রুম প্রতি ৭৫০ হইতে ২০০০টাকা পর্যন্ত। বুকিং ফোন: 0361-62741 এবং 0361-62742।



    হলিডে ইন (মেঘলা)

    জেনারেল রুম ১০০০ টাকা, নন এসি ১৩০০ টাকা, এসি ১৫০০ টাকা; ফোন: 0361-62896



    Transportation & Accommodation

    Local Buses are available from Bandarbar Bus Station (10-12tk). Texi reserv100-120tk. Land Cruser, Land Rover will take 450-500tk for Meghla. Tourist Motel and Holiday Inn Hotel are available in Meghla, fare nearly 750-2000tk.



    শৈল প্রপাত





    বান্দরবান রুমা সড়কের ৮ কিলোমিটার দূরে শৈলপ্রপাত অবস্থিত। এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব সৃষ্টি। ঝর্ণার হিমশীতল পানি এখানে সর্বদা বহমান। এই ঝর্ণার পানিগুলো খুবই স্বচ্ছ এবং হীম শীতল। বর্ষাকালে এ ঝর্ণার দৃশ্য দেখা গেলেও ঝর্ণাতে নামা দুস্কর, বছরের বেশীর ভাগ সময় দেশী বিদেশী পর্যটকে ভরপুর থাকে। রাস্তার পাশে শৈল প্রপাতের অবস্থান হওয়ায় এখানে পর্যটকদের ভিড় বেশী দেখা যায়। এখানে দুর্গম পাহাড়ের কোল ঘেশা আদিবাসী বম সম্প্রদায়ের সংগ্রামী জীবন প্রত্যক্ষ করা।



    যাতায়াতঃ

    বান্দরবান শহর থেকে টেক্সি, চাঁদের গাড়ি কিংবা প্রাইভেট কার ও জীপ ভাড়া করে শৈলপ্রপাতে যাওয়া যায়। শহর থেকে জীপ গাড়ীতে ৬০০-৭০০ টাকা এবং চাঁদের গাড়ীতে ৪৫০-৫০০ টাকা লাগবে।





    নীলাচল ও শুভ্রনীলা



    নীলাচল

    https://fbcdn_sphotos_d-a.akamaihd.n...89600391_n.jpg

    বান্দরবান জেলা শহেরর নিকটবর্তী পর্যটন কেন্দ্র। এটি জেলা সদরের প্রবেশ মুখ টাইগার পাড়ার নিকট পাশাপাশি অবস্থিত এ পর্যটন কেন্দ্র দুটি। নীলাচল জেলা প্রশাসন ও শুভ্রনীলা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ দুটি পর্যটন কেন্দ্রটি পরিচালিত হয় । এ পর্যটন কেনেদ্রর উচ্চতা প্রায় ১৭০০ ফুট। বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে এই পর্যটন কেনদ্র অবস্থিত। এ পাহাড়ের উপর নির্মিত এ দুটি পর্যটন কেনদ্র থেকে পার্শ্ববর্তী এলাকার দৃশ্য দেখতে খুবই মনোরম।



    শুভ্রনীলা



    যাতায়াতঃ

    বান্দরবান শহরের বাস ষ্টেশন থেকে জীপ, ল্যান্ড ক্রু জার, ল্যান্ড রোভার ভাড়া নিয়ে যেতে হবে অথবা বান্দরবান শহরের সাঙ্গু ব্রীজের কাছে টেক্সি ষ্টেশন থেকে টেক্সি ভাড়া নিয়ে নীলাচল ও শুভ্রনীলায় যেতে পারেন । জীপ, ল্যান্ড ক্রুজার, ল্যান্ড রোভার ৬০০-৭০০/-, টেক্সি ৩০০/- মত নিয়ে থাকে। রেস্ট হাউজ বুকিং: ০৩৬১-৬২৬০৫, ০১৭১৪২৩০৩৫৪, ০১৭১২৭১৮০৫১





    মিলনছড়ি

    https://fbcdn_sphotos_h-a.akamaihd.n...51428998_n.jpg



    মিলনছড়ি বান্দরবান শহর হতে ৩ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে শৈল প্রপাত বা চিম্বুক যাওয়ার পথে পড়ে। এখানে একটি পুলিশ পাড়ি আছে। পাহাড়ের অতি উচ্চতায় রাস্তার ধারে দাড়িয়ে পূর্ব প্রান্তে অবারিত সবুজের খেলা এবং সবুজ প্রকৃতির বুক ছিড়ে সর্পিল গতিতে বয়ে সাঙ্গু নামক মোহনীয় নদীটি। হিল সাইড রিসোর্টঃ ফোন: 01556539022, 01730045083





    চিম্বুক





    বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত। চিম্বুক সারা দেশের কাছে পরিচিত নাম। বান্দরবান জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ের অবস্থান। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৫০০ শত ফুট। চিম্বুক যাওয়ার রাস্তার দুই পাশের পাহাড়ি দৃশ্য খুবই মনোরম। চিম্বুক যাওয়ার পথে সাঙ্গু নদী চোখে পড়ে। পাহাড়ের মাঝে আঁকা বাঁকা পথ বেয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সড়ক দিয়ে এতে যাতায়ত মনে হবে গাড়ীতে করে চাঁদের বুকে পাড়ি জমানোর অনুভূতি। ২৫০০ ফুট উঁচুতে দাঁড়িয়ে এ অপরুপ বিচিত্র দৃশ্য দেখতে পাবেন চিম্বুকে।



    চিম্বুক পাহাড় থেকে দাঁড়িয়ে পাহাড়ের নিচ দিয়ে মেঘ ভেসে যাওয়ার দৃশ্য অবলোকন করা যায়।এখান থেকে পার্শ্ববর্তী জেলা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম এর বিভিন্ন উপজেলাগুলোকে দেখা যায়। বর্ষা মৌসুমে চিম্বুক পাহাড়ের পাশ দিয়ে ভেসে যাওয়া মেঘ দেখে মনে হয় মেঘের স্বর্গরাজ্য চিম্বুক। মেঘের হালকা হিম ছোঁয়া যেন মেঘ ছোয়ার অনুভূতি। চিম্বুককে বাংলার দার্জিলিং বলা হয়।



    চিম্বুক থানছি সড়কের দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে হোটেল বা রেস্তোরাঁগড়ে ওঠেনি। জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে একটি রেষ্টহাউস আছে। জেলা প্রশাসকের অনুমোতিক্রমে রাত্রি যাপনের সুযোগ রয়েছে। চিম্বুকের পাশে সেনাবাহিনীর ক্যান্টিন রয়েছে। এখানে সকালের নাস্তা ও দুপুরে খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া খাবারের জন্য বান্দরবান থেকে চিম্বুক যাওয়ার পথে মিলনছড়ি ও শাকুরা নামে ২টি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। চিম্বুক যাওয়ার পথে বান্দরবান থেকে হালকা খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে যাওয়ায় উত্তম।



    যাতায়াতঃ চিম্বুক যেতে হলে বান্দরবান শহরের রুমা বাস স্টেশন থেকে চাঁদের গাড়ি হিসেবে পরিচিত জীপ, ল্যান্ড ক্রুজার, ল্যান্ড রোভার, পাজেরো এবং বান্দরবান-থানছি পথে যাতায়তকারী বাস ভাড়া নিতে হবে (স্পেশাল বাস যা দূর্গম পাহাড়ী পথে চলাচল করতে সক্ষম)। নিজস্ব গাড়ী হলে ভাল হয়। রাস্তা অত্যান্ত দূর্গম হওয়ায় বাসে যাতায়ত করা ঝুঁকিপূর্ণ। চাঁদের গাড়ীতে জন প্রতি ৫০-৬০ টাকা এবং ল্যান্ড ত্রুজার রির্জাভ ১৭০০-১৮০০/-, ল্যান্ড রোভার, পাজেরো ২১০০-২২০০/- টাকা মত নিয়ে থাকে। চিম্বুক থানছি পথে বিকেল ৪ টার পরে কোন গাড়ী চলাচল করে না বিধায় পর্যটকদের ৪ টার মধ্যে ফিরে আসা উচিত।





    সাঙ্গু নদী

    https://fbcdn_sphotos_c-a.akamaihd.n...36208541_n.jpg



    পূর্বের অতিউচ্চ পর্বত শীর্ষ থেকে সাঙ্গু নদী নেমে এসে বান্দরবন শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশে গেছে। বান্দরবান শহরের পূর্বে পাশে পাহাড়ী ঢালে বয়ে চলা সাঙ্গু নীদ দেখতে দারুন দৃষ্টি নন্দন।



    বগালেক





    সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার ফুট উঁচু পাহাড়ে প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট বগালেক। কেওকারাডাং এর কোল ঘেঁষে বান্দারবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে এবং রুমা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। পাহাড়ের উপরে প্রায় ১৫ একর জায়গা জুড়ে এই লেকের অবস্থান। এ পানি দেখতে প্রায় নীল রঙের। এ লেকের পাশে বাস করে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র উপজাতীয় বম ও খুমী সম্প্রদায়। অদ্ভুদ সুন্দর এই নীল রঙ্গের লেকের সঠিক গভীরতা বের করা যায়নি। স্থানীয়ভাবে দুইশ' থেকে আড়াইশ' ফুট বলা হলেও সোনার মেশিনে ১৫১ ফুট পর্যন্ত গভীরতা পাওয়া গেছে। এটি সম্পূর্ণ আবদ্ধ একটি লেক। এর আশেপাশে পানির কোন উৎসও নেই। তবে বগালেক যে উচ্চতায় অবস্থিত তা থেকে ১৫৩ মিটার নিচে একটি ছোট ঝর্ণার উৎস আছে যা বগাছড়া (জ্বালা-মুখ) নামে পরিচিত। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে লেকের পানি প্রতি বছর এপ্রিল থেকে মে মাসে ঘোলাটে হয়ে যায়।



    রাত্রি যাপনের জন্য বগালেকে জেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি রেষ্টহাউস নির্মান করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় বম উপজাতী সম্প্রসাদায় কিছু ঘর ভাড়ায় দিয়ে থাকে । বগালেকের পাড়েই বসবাসরত বম সম্প্রদায় পর্যটকদের জন্য রান্না-বান্নার ব্যবস্থা করে থাকে । রুমা বাজার থেকে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার ক্রয় করে নেওয়াই শ্রেয়। উল্লেখ্য যে, নিরাপত্তার জন্য রুমা ও বগালেক সেনা ক্যাম্পে পর্যটকদের রিপোর্টে করতে হয়। স্থানীয় গাইড ছাড়া পায়ে হেটে রুমা থেকে অন্য কোন পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়া উচিত নয়।



    যাতায়তঃ শুষ্ক মৌসুমে বান্দরবান জেলা সদরের রুমা জীপ ষ্টেশন থেকে রুমাগামী জীপে করে রুমা সেনা গ্যারিসন (রুমা ব্রীজ) পর্যন্ত যাওয়া যায়। সেখান থেকে নৌকায় করে ২০ মিনিট পথ পাড়ি দিয়ে রুমা উপজেলা সদরে যেতে হয়। বর্ষাকালে রুমাগামী জীপ কইক্ষ্যংঝিড়ি পর্যন্ত যায় । তারপর ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে প্রায় ১ ঘন্টার অধিক পথ পাড়ি দিয়ে রুমা সদরে যেতে হয় । রুমা থেকে পায়ে হেটে অথবা জীপে করে বগালেক যেতে হয় । বর্ষা মৌসুমে বগা লেক যাওয়া নিতান্তই কষ্টসাধ্য তাই বগালেক ভ্রমনে শীতকালকে বেছে নেওয়া শ্রেয়ে। বান্দরাবন থেকে রুমা উপজেলা সদরে যেতে খরচ হবে জন প্রতি ৮০/- অথবা পুরো জীপ ভাড়া করলে ২২০০-২৫০০/- আর রুমা থেকে বগালেক যেতে জনপ্রতি ৮০-১০০/- অথবা পুরো জীপ ভাড়া করলে ২২০০-২৫০০/- পর্যন্ত ।





    কেওক্রাডং এবং তাজিংডং



    কেওক্রাডং এর চূড়া থেকে দৃশ্য



    এখন পর্যন্ত সরকার স্বীকৃত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ তাজিংডং । উচ্চতা ৪৬৩২ ফুট। কেওক্রাডং বাংলাদেশের ২য় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ। উচ্চতা ৪০৩৫ ফুট। [সূত্রঃ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন] স্থানীয় উপজাতীয়দের ভাষায় ‘তাজিং’ শব্দের অর্থ বড় আর ‘ডং’ শব্দের অর্থ পাহাড় যা একত্রিত করলে হয় তাজিংডং। এটি বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে অবস্থিত। রুমা উপজেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই পর্বতের অবস্থান। বর্ষা মৌসুমে তাজিংডং যাতায়ত অত্যান্ত কষ্টকর। শুষ্ক মৌসুমে অনেক পর্যটককে এডভেঞ্চার হিসাবে পায়ে হেটে তাজিংডং যেতে দেখা যায়। বর্তমানে রুমা উপজেলা সদর থেকে চাঁদের গাড়ীতে করে কেওক্রাডং এর কাছাকাছি যাওয়া যায়।



    যাত্রার জন্য বগালেক থেকে খুব ভোরে যাত্রা করতে হবে সেক্ষেত্রে আসা যাওয়াসহ ৮-১০ ঘন্টা হাটার অভ্যাস থাকতে হবে। তাজিংডং ভ্রমনকারীদের অবশ্যই ভ্রমনের সময় শুকনো খাবার, খাবার পানি, জরুরী ঔষুধপত্র সঙ্গে নিতে হবে। যাত্রাপথ দূর্গম ও কষ্টসাধ্য বিধায় মহিলা ও শিশুদের নিয়ে এ পথে যাত্রা করা উচিত নয়। রুমা উপজেলা সদরে রাত্রিযাপনের জন্য কয়েকটি হোটেল থাকায় দলবেধেঁ যাত্রা করার আগে হোটেল বুকিং করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন।



    পর্যটকদের তাজিংডং যেতে হলে বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রথম যেতে হবে রুমা উপজেলা সদরে। রুমা উপজেলা যাত্রা পথে রুমা সেনা গ্যারিসনে পর্যটকদের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। পরবর্তীতে রুমা উপজেলা সদর সেনা ক্যাম্পে আবার ও রির্পোট করতে হবে। রুমা উপজেলা সদর থেক সাধারণত বিকাল ৪ টার পরে বগালেক, কেওক্রাডং বা তাজিংডং এর উদ্দেশে যেতে দেয়া হয় না। যাত্রা যদি হয় বর্ষা মৌসুমে তাহলে বান্দরবান শহরের রুমা জীপ ষ্টেশন থেকে রুমাগামী চাঁদের গাড়ীতে করে কৈক্ষ্যং ঝিড়ি যেতে হবে। তারপর নৌকায়১ ঘন্টার পথ পাড়ি দিয়ে রুমা সদর। যদি শীতের মৌসুম হয় তাহলে জীপে করে রুমা উপজেলা সদরের কাছে বোটঘাটায় পৌছে দেবে গাড়ী, সেখান থেকে নৌকায় করে ১৫-২০ মিনিটের নৌকা ভ্রমন শেষ আপনি রুমা উপজেলা সদরে পৌছাতে পারবেন। রুমা উপজেলা সদর থেকে পায়ে হেটে বগালেক হয়ে কেওক্রাডং এর পাশ দিয়ে তাজিংডং যেতে হয়।





    জাদিপাই জলপ্রপাত

    https://fbcdn_sphotos_c-a.akamaihd.n...98137982_n.jpg



    কেউক্রাডাং থেকে পায়ে হেঁটে ১ ঘন্টায় জাদিপাই জলপ্রপাতে পৌছানো যায়। কেউক্রাডং থেকে নিচে নামতে হয় যাওয়ার সময়। ফিরে আসার সময় উপড়ে উঠতে হয় বিধায় সময় ২ ঘন্টা মত লাগে। তবে নিচে নামাটাই বিপদজনক। শেষের কিছু অংশ বেশ পিচ্ছিল। দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে। যাওয়ার সময় জোকের কামড় অবধারিত। সাথে অবশ্যই গাইড নিতে হবে।

    যাতায়াতঃ বাস ভাড়া- চট্টগ্রাম হতে বান্দরবন ৮০ টাকা; বান্দরবন হতে কাইখ্যংছড়ি ৮০ টাকা। নৌকা ভাড়াঃ কাইখ্যংছড়ি হতে রুমাবাজার ৩০-৪০ টাকা। কেওক্রাডাং এর পাশে কিছু ঘর তুলে হোটেলের মত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভাড়া জনপ্রতি ১০০ টাকা। খাওয়ারও ব্যবস্থা আছে। ফোনঃ ০১৫৫৬৫৭৩৭৬৮







    প্রান্তিক লেক

    https://fbcdn_sphotos_a-a.akamaihd.n...84744121_n.jpg



    চট্টগ্রাম-বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মন্ডিত প্রান্তিক লেক বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের হলুদিয়ার নিকটবর্তী স্থানে এটি অবস্থিত। কেরাণীহাট থেকে ২০ মিনিট গাড়ি চালালে এ লেকে পৌছানো সম্ভব। জেলা সদর থেকে প্রান্তিক লেকের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার। প্রায় ২ হাজার ৫ শত একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক লেকের অবস্থান। পর্যটকদের নিজেদের খাবার ও পানি নিয়ে যাওয়াটাই উত্তম। রাত্রি যাপনের জন্য মেঘলা অথবা বান্দরবান শহরে ফিরে যেতে হবে। বান্দরবান শহর থেকে কেরাণীহাট গামী বাসে হলুদিয়া নামক স্থানে নেমে টেক্সি বা রিক্সা করে ৩ কিলোমিটার যেতে হবে। বান্দরবান শহর থেকে টেক্সি বা ল্যান্ড ত্রুজার রির্জাভ করে নিয়ে যাওয়া যায়। ল্যান্ড ত্রুজার বা চাঁদের গাড়ী রির্জাভ ৭০০-৮০০, টেক্সি ৪৫০-৫০০ টাকা নিয়ে থাকে।





    ঋজুক জলপ্রপাত

    https://fbcdn_sphotos_g-a.akamaihd.n...84663354_n.jpg



    প্রাকৃতিক পাহাড়ী পানির অবিরাম এ ধারাটি জেলা সদর হতে ৬৬ কিঃমিঃ দক্ষিণ-পূর্বে রুমা উপজেলায় অবস্থিত। নদী পথে রুমা হতে থানচি যাওয়ার পতে সাঙ্গু নদীর পাড়ে ৩০০ ফুট উচু থেকে সারা বছরই এ জলপ্রপাতটির রিমঝিম শব্দে পানি পড়ে। রুমা হতে ইঞ্জিনচালিত দেশী নৌকায় সহজেই এ স্থানে যাওয়া যায়। মার্মা ভাষায় একে রী স্বং স্বং বলা হয়। রুমা বাজার থেকে নৌকা ভাড়া করে যাওয়া যায়। নৌকা ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা।





    মিরিঞ্জা পর্যটন কমপ্লেক্স

    https://fbcdn_sphotos_e-a.akamaihd.n...94241273_n.jpg



    বান্দরবান জেলাধীন ফাঁসিয়াখালী - লামা - আলীকদম সড়কের ১৬ কিঃ মিঃ পয়েন্টে মিরিঞ্জা পর্যটন কেন্দ্রটির অবস্থান। নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর এ স্থানটিতে পর্যটন কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে একটি আকর্ষনীয় টুরিস্ট স্পট হিসেবে গড়ে উঠেছে। সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে প্রায় ১,৫০০ ফুট উপরে এটি অবস্থিত। অনুকূল আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগরসহ মহেষখালী দ্বীপ এবং সাগরে চলাচলকারী দেশী-বিদেশী জাহাজ সহজেই দেখা যায় এ স্থান থেকে। দিগন্ত রেখায় ডুবন্ত রবি‘র রক্তিম আবহ এবং পশ্চিমের পাহাড় টিলার দৃষ্টিনন্দন চির সবুজ দৃশ্য দর্শন। প্রায় ১০০০ ফুট গভীর ঝিরি থেকে উৎঘিরিত জল সিঞ্চনের বিরামহীন কলরব। পাহাড়টির সম্মুখ ভাগ টাইটানিক জাহাজের আকৃতির মত হওয়ায় এটি ‘‘টাইটানিক পাহাড়’’ হিসেবেও পরিচিত। বান্দরবান শহর থেকে জীপ/চান্দের গাড়ি/ প্রাইভেট কারে যাওয়া যায়।





    নাফাখুম জলপ্রপাত (বাংলাদেশের নায়াগ্রা)



    নাফাখুম



    বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি স্থানটি সাঙ্গু নদীর উজানে একটি মারমা বসতী। মারমা ভাষায় 'খুম' মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। রেমাক্রি থেকে তিন ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় আশ্চর্য সুন্দর সেই জলপ্রপাতে, যার নাম 'নাফাখুম'। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে হঠাৎ করেই নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট....প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়। প্রায় যেন উজানের সাঙ্গু নদীর মতই। পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে সম্ভবতঃ নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।



    যাতায়াতঃ

    বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা, ভাড়া নেবে ৪ হাজার টাকা। থানচি থেকে রেমাক্রি নৌকায় যাওয়া-আসা, ভাড়া চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। বর্ষায় ইঞ্জিনবোটে থানচি থেকে তিন্দু যেতে সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যেতে লাগবে আরও আড়াই ঘন্টা। এই পাঁচ ঘন্টার নৌ-পথে আপনি উজান ঠেলে উপরের দিকে উঠতে থাকবেন। শীতের সময় ইঞ্জিন বোট চলার মত নদীতে যথেষ্ট গভীরতা থাকেনা। তখন ঠ্যালা নৌকাই একমাত্র বাহন। বর্ষা মৌসুমে তিন দিনের জন্য ইঞ্জিনবোটের ভাড়া পড়বে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর শীত মৌসুমে ঠ্যালা-নৌকার ভাড়া পড়বে প্রতি দিনের জন্য ১০০০ টাকা।



    থাকাঃ থাকার জন্য যেতে হবে তিন্দু, রেমাক্রি। মারমাদের বাঁশ-কাঠের বাড়ীতে অনায়াসে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হয়ে যাবে আপনাদের। মারমাদের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতেই খুব অল্প টাকায় এমন থাকা-খাওয়ার সুবিধে রয়েছে। তিনবেলা খাওয়ার খরচ পরবে জনপ্রতি ২০০ টাকা, আর থাকা ফ্রি। তবে যে বাড়ীতে ফ্রি থাকবেন। খেতে হবে তাঁর দাওয়ায় বসেই।



    রেমাক্রিখুম

    https://fbcdn_sphotos_f-a.akamaihd.n...92360555_n.jpg

    রেমাক্রি বাজার থেকে দুইভাবে নাফাখুম-এ যাওয়া যায়। এক ঘন্টা উঁচু-নীচু পাহাড়ী পথ মাড়িয়ে(পাহাড় ডিঙিয়ে) তারপর রেমাক্রি খালের পাড় ধরে বাকিটা হেঁটে চলা। এই পথে গেলে নাফাখুমে পৌঁছাতে আপনার সময় লাগবে চার ঘন্টা। রেমাক্রি খাল ক্রস করতে হবে তিন বার, যার মধ্যে শেষবার আপনাকে সাঁতার পানি পেরুতে হবে। আপনি পাহাড় না ডিঙিয়ে গোটা পথই রেমাক্রি খালের পাশ দিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে নৌকা করে রেমাক্রি খালের মুখে (যেখানে রেমাক্রি খাল সাঙ্গুতে পড়েছে, রেমাক্রিখুম) যেতে হবে আপনাকে...তারপর খালের পাড় দিয়ে হাঁটা পথে নাফাখুম বরাবর। এই পথে আপনাকে চার বার খালটি ক্রস করতে হবে।.তবে সময় লাগবে তিন ঘন্টা। আমি আপনাকে দ্বিতীয় পথেই যেতে পরামর্শ দেব। এতে আপনার সময় ও এনার্জী দু'টোই ব্যয় হবে কম। আর শীতের দিনে গেলে খাল ক্রস করার ঝামেলাই নেই। গোটাটাই আপনি ঝিরিপথ দিয়ে হেঁটে যেতে পারবেন। তবে শীতকালে নাফাখুম-এর এই পূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ হবেনা। পানি প্রবাহ অনেক কমে যাবে তখন। (নাফাখুম অংশটুকু নীল ভোমরা'র ব্লগ থেকে নেওয়া)



    নাফাখুম

    https://fbcdn_sphotos_g-a.akamaihd.n...42221191_n.jpg



    বিঃ দ্রঃ এখানে উল্লেখ্য ভাড়া সমূহ আগের (জুন, ২০১১)। সাম্প্রতি ভাড়া বৃদ্ধির সাথে সকল ভাড়া একটু বাড়িয়ে ধরবেন।



    - MHJ ...
    eastwatch, kobiraaz, Avisheik and 2 others thanked this.

  5. #170
    SENIOR MEMBERS Al-zakir's Avatar

    Join Date
    Nov 2008
    Location
    USA
    Posts
    6,748
    Thanked
    4715 times
    Users Country Flag: United States Users Location Flag: United States

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Quote Originally Posted by kobiraaz View Post
    I don't believe in Pir fakir Sufi Saints Magic. Magic is Haram! I was suprised when i saw people walking backwards in Shahjalal's grave. I was the only one who was walking forward... I didn't know the reason first. Later i realized they don't give their back to the grave of Shahjalal. This isn't Islam.... They say, If someone visits ShahJALAL but doesn't visit Shahporan ( actually his name was Shah farhan ), shah paran gets angry. I don't believe in all these Bidah...
    It's not Islam rather a culture of over emotional illiterate grave worshipper.

    Shah Jalal is our hero. We pray for his departed soul and appreciate his contribution to Islamize greater Sylhet from bottom of our heart. May Allah place him in Zannat ul Firdoos.
    eastwatch thanked this.

  6. #171
    SENIOR MEMBERS Avisheik's Avatar

    Join Date
    Mar 2011
    Location
    spain
    Posts
    2,481
    Thanked
    2284 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Former Soviet Union

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Horse race in Bangladesh








    Bangladesh has two indegenous horse breeds. Bangladesh Native horse and the Rajshahi pony.
    eastwatch, kobiraaz, Loki and 3 others thanked this.

  7. #172
    SENIOR MEMBERS Avisheik's Avatar

    Join Date
    Mar 2011
    Location
    spain
    Posts
    2,481
    Thanked
    2284 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Former Soviet Union

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Caves in bangladesh.

    Alutila cave




    Kudung Guha(High probability that batman lives here)


    eastwatch, kobiraaz, Loki and 3 others thanked this.

  8. #173
    FULL MEMBERS M.H.J.'s Avatar

    Join Date
    Apr 2012
    Location
    Dhaka
    Posts
    159
    Thanked
    382 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Bangladesh

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    খাগড়াছড়ি ভ্রমণ
    -------------

    সৃষ্টিকর্তা অকৃপণভাবে সাজিয়েছে খাগড়াছড়িকে। স্বতন্ত্র করেছে বিভিন্ন অনন্য বৈশিষ্ট্যে। এখানে রয়েছে আকাশ-পাহাড়ের মিতালী, চেঙ্গী ও মাইনী উপত্যকার বিস্তীর্ণ সমতল ভূ-ভাগ ও উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতা। যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আর রহস্যময়তায় ঘেরা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা প্রকৃতিপ্রেমী, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় বা ভ্রমণবিলাসীদের জন্য আদর্শ স্থান।প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্য ছড়িয়ে আছে এ জেলার আনাচে-কানাচে। এ জেলার বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে বিমোহিত করে।



    দর্শনীয় স্থানঃ

    1) তৈদুছড়া

    2) আলুটিলা

    3) আলুটিলা রহস্যময় সুগঙ্গ

    4) দেবতার পুকুর

    5) মহালছড়ি হ্রদ

    6) শতায়ুবর্ষী বটগাছ

    7) পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র

    8) রিছাং ঝর্না

    9) ভগবান টিলা

    10) দুই টিলা ও তিন টিলা

    11) মানিকছড়ি মং রাজবাড়ি

    12) বন ভান্তের প্রথম সাধনাস্থল

    13) রামগড় লেক ও চা বাগান



    যেভাবে যাবেনঃ

    রাজধানী ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আরামদায়ক বাস ছাড়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০-১৫টি। সাইদাবাদ, কমলাপুর, গাবতলী, ফকিরাপুল, কলাবাগান ও টিটি পাড়া থেকে টিকেট সংগ্রহ করে এস আলম, স্টার লাইন, শ্যামলী, সৌদিয়া, শানিত্ম স্পেশাল ও খাগড়াছড়ি এক্সপ্রেসযোগে খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে ট্রেনে ফেনী এসেও হিলকিং অথবা হিল বার্ড বাসে চড়ে খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। চট্টগ্রামের অক্সিজেন থেকেও শানিত্ম স্পেশাল ও লোকাল বাসে উঠে যাওয়া যায় খাগড়াছড়িতে।



    কোথায় থাকবেন:

    পর্যটকদের জন্য খাগড়াছড়িতে রয়েছে অনেক আবাসিক হোটেল। পর্যটন মোটেলে থাকতে পারেন, এছাড়া আছে জিরান হোটেল, হোটেল শৌল্য সুবর্ণ, থ্রী স্টার হোটেল, হোটেল লবিয়ত। কিছু হোটেল এর ফোন নাম্বার দেওয়া হলোঃ





    পর্যটন মোটেলঃ ৬২০৮৪ ও ৬২০৮৫

    হোটেল শৌল্য সুবর্ণঃ ৬১৪৩৬

    জিরান হোটেলঃ ৬১০৭১

    হোটেল লিবয়তঃ ৬১২২০

    চৌধুরী বাডিং: ৬১১৭৬

    থ্রি ষ্টার: ৬২০৫৭

    ফোর ষ্টারঃ ৬২২৪০

    উপহারঃ ৬১৯৮০

    হোটেল নিলয়ঃ ০১৫৫৬-৭৭২২০৬





    তৈদুছড়া





    খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলায় সবুজ পাহাড় আর বুনো জঙ্গলের মাঝে অবস্থিত নয়নাভিরাম ঝর্না দুটির নাম তৈদুছড়া ঝর্না। ত্রিপুরা ভাষায় “তৈদু” মানে হল “পানির দরজা” আর ছড়া মানে ঝর্না। অসাধারণ সৌন্দর্য আর প্রাকৃতিক বৈচিত্রতা এই ঝর্নাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। খাগড়াছড়িতে যে কয়টি দর্শনীয় স্থান রয়েছে তৈদুছড়া তাদের মধ্যে অন্যতম। এখানে পাহাড় আর সবুজ বুনো জঙ্গেলর মাঝে আঁকা বাঁকা পাহাড়ের ভাঁজ দিয়ে বয়ে চলে ঝর্নার জল। ৩০০ ফুট উচু পাহাড় হতে গড়িয়ে পড়া পানি এসে পরছে পাথুরে ভূমিতে। অন্য সকল ঝর্নার মত এর পানি সরাসরি উপর হতে নিচে পরছে না। পাহাড়ের গায়ে সিড়ির মত তৈরি হওয়া পাথুরে ধাপ গুলো অতিক্রম করে নিচে পরছে।



    ঢাকা কিংবা খাগড়াছড়ি হতে গাড়ী নিয়ে সরাসরি যাওয়া যায় দীঘিনালায়। তৈদুছড়া ভ্রমনের জন্য খাগড়াছড়িতে রাত্রি যাপন না করে দীঘনালায় থাকাই উত্তম। এখানে থাকার জন্য একটি ভাল মানের রেষ্টহাউজ আছে। গাড়ী নিয়ে দীঘিনালা হতে সামনে এগিয়ে চাপ্পাপাড়া পর্যন্ত যাওয়া যায়। এর পর আর গাড়ী চলার কোন পথ না থাকায় বাকী পথটুকু হেঁটেই যেতে হবে। দীঘিনালা হতে সব মিলিয়ে তৈদুছড়ি পর্যন্ত পৌছতে প্রায় ৪ ঘন্টা সময় লাগে। নির্ভর করে হাঁটার গতির উপর। সুতরাং সকালে রওয়ানা দিলে অনায়েসেই সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসা সম্ভব। এই আসা যাওয়ার পথটি মোটেও বিরক্তিকর নয়। হাঁটতে হাঁটতে যতটা না ক্লান্তি আপনাকে গ্রাস করবে তার চাইতেও বেশী গ্রাস করবে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নেশা। চোখ বন্ধ করে বলে দেয়া যায় যে আপনি আসক্ত হবেনই।



    চাপ্পাপাড়া কিংবা পোমাংপাড়া হতে দুর্গম পথ, অনেক গুলো ঝিরি, উচু নিচু পাহাড়, কোথাও হাটু সমান আবার কোথাও বুক সমান পানি আর বুনো জঙ্গল পাড়ি দিয়ে অবশেষে প্রায় ৩ ঘন্টা হাঁটার পর আপনি পৌছবেন ১ম ঝর্নাটিতে। এটি প্রায় ৬০ ফুট উচু। ঝর্নামুখ হতে পানি পাহাড়ের গাঁয়ে পরে তা পাহাড় বেয়ে নিচে এসে ছোট একটি হ্রদের মিলিত হয়েছে।





    প্রথম ঝর্ণার ডানপাশ দিয়ে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে উঠলে খুব কাছাকাছি পেয়ে যাবেন ২য় ঝর্নাটি। এখানে প্রায় ৮০-৮৫ ডিগ্রী এঙ্গেলের ঢাল বেয়ে প্রায় ১০০ ফুট উপরে উঠতে হবে। উপরে উঠলে প্রথমেই চোখে পড়বে ঝর্না মুখ যেখান হতে ১ম ঝর্নার পানি পড়ছে। ২য় ঝর্না হতে ঝিরি পথে পানি আসছে এখানে। ঝিরি পথ ধরে প্রায় ঘন্টা খানেক হাটলে পরে পৌছানো যায় ২য় ঝর্নাটিতে। এই চলার পথটি যেমন কষ্টকর তেমনি রোমাঞ্চকর আর আহামরি সুন্দর। উপর থেকে প্রচন্ড বেগে পানি নেমে আসছে। এই বেগ ঠেলে পানি বরাবরই হাঁটতে হয়। ডানে বায়ে যেখানে পানির স্রোত কম সেখানে শ্যাওলা জমেছে। একটুতেই পা পিছলে যায়। মাঝে মাঝে এখানে পানির স্রোত খুব বেশী যে ধাক্কা দিয়ে নিচে নিয়ে যেতে চায়। তাই এখানে পা টিপে টিপে অনেক সাবধানে হাঁটতে হবে। একবার পিছলে গেলে কয়েকশ হাত দূরে নিক্ষিপ্ত হতে হবে। এখান হতে আরো উপরে উঠতে হবে। চলার পথে পারি দিতে হবে বড় বড় পাথর আর কোমর সমান পানি। অতপর পেয়ে যাবেন দ্বিতীয় তৈদু ঝর্ণা।





    অপূর্ব নয়নাভিরাম সে ঝর্না। এটি এতই দৃষ্টিনন্দন আর ব্যতিক্রম যে কারো আর তড় সইবে না। ঝর্নার নিচে ঝাপিয়ে পরতে মন চাইবে। ঝর্ণাটি প্রায় ৮০ ফুট উচু। ঝর্নার পানি এসে সরাসরি যেখানে পড়ছে সেখানে সিড়ির মত অনেকগুলো পাথুরে ধাপ রয়েছে। ধাপগুলো বেয়ে পানি নিচে গড়িয়ে পড়ছে। ধাপগুলোতে দাড়িয়ে অনায়েসেই গোসলের কাজটি সেরে নেয়া যায়। দীর্ঘ ক্লান্তিকর হাটার কষ্ট মুহুর্তেই ধুয়ে যাবে ঝর্নার জলে।



    এখানে সারা বছরই পানি থাকে। শীতে জল প্রবাহ কমে যায়। আর বর্ষার হয়ে উঠে পূর্ণ যৌবনা। তবে শীতের আগে ও বর্ষার শেষে এখানে ঘুরতে যাওয়া উত্তম সিদ্ধান্ত।



    যেভাবে যেতে হবে: খাগড়াছড়ি হতে বাসে করে আসতে হবে দীঘিনালায়। দীঘিনালায় রাত্রি যাপন, সাথে তৈদুছড়া আসার জন্য প্রশাসনের অনুমতি গ্রহন ও গাইড নির্বাচন করে পরেরদিন ভোরে দীঘিনালা হতে গাড়ীতে/মোটরসাইকেলে করে চাপ্পাপাড়া। চাপ্পাপাড়া হতে পায়ে হেঁটে তৈদুছড়া।





    আলুটিলা ও রহস্যময় সুগঙ্গ





    খাগড়াছড়ি শহর হতে ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা পযর্টন কেন্দ্রে রয়েছে একটি রহস্যময় গুহা। স্থানীয়রা একে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা। তবে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে অবস্থিত বলে একে আলুটিলা গুহাই বলা হয় । এটি খাগড়াছড়ির একটি নামকরা পর্যটন কেন্দ্র। খাগড়াছড়ি বেড়াতে এলে সবাই অন্তত এক বার হলেও এখানে ঘুরে যায়। এটি একটি চমৎকার পিকনিক স্পট। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়, হৃদয় ছুয়ে যায়। আলুটিলা খাগড়াছড়ি জেলার সব চাইতে উচু পর্বত। নামে এটি টিলা হলেও মূলত এটি একটি পর্বতশ্রেনী। এখান হতে খাগড়াছড়ি শহরের বেশ কিছুটা অংশ দেখা যায়। শুধু তাই নয় পাহাড়ের সবুজ আপনার চোখ কেড়ে নেবে। আকাশ পাহাড় আর মেঘের মিতালী এখানে মায়াবী আবহ তৈরি করে।



    আলুটিলা রহস্যময় সুগঙ্গে যেতে হলে প্রথমেই আপনাকে পর্যটন কেন্দ্রের টিকেট কেঁটে ভীতরে প্রবেশ করতে হবে। ফটক দিয়ে পর্যটন কেন্দ্র প্রবেশের সময় আপনাকে মশাল সংগ্রহ করতে হবে। কারন রহস্যময় গুহাটিতে একেবারেই সূর্যের আলো প্রবেশ করে না। পর্যটন কেন্দ্রের ফটক দিয়ে প্রবেশ করে ডান পাশের রাস্তা দিয়ে মিনিট খানে হাঁটলেই চোখে পড়বে একটি সরু পাহাড়ীপথ। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নীচে নেমে গেছে এই পথটি। এই পথটি বেয়ে নিচে নামলেই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে প্রথম চমকটি। হঠাৎ চোখে পড়বে একটি ছোট ঝর্না। ঝর্নার পানি নেমে যাচ্ছে নিচের দিকে ঝিরি বরাবর। তবে এখানে পাহাড়ী লোকজন ঝর্নার পানি আটকে রাখার জন্য একটি বাঁধ দিয়েছে। তারা এই পানি খাবার ও অন্যান কাজে ব্যবহার করে।



    আর ফটক হতে বাম দিকের রাস্তা বরাবর হাঁটলে পরে পাবেন রহস্যময় সেই গুহা। গুহাতে যাবার আগে আপনি পাবেন একটি বিশ্রামাগার ও ওয়াচ টাওয়ার। এর সামনে দিয়ে রাস্তা চলে গেছে আলুটিলা গুহা মুখে। আগে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নামতে হতো গুহামুখে। কিন্তু এখন পর্যটন কর্পোরেশন একটি পাকা রাস্তা করে দিয়েছে। ফলে খুব সহজেই হেঁটে যাওয়া যায় গুহামুখে।





    পাকা রাস্তা শেষ হলে আপনাকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে হবে। প্রায় ৩৫০টি সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলে পরে পাওয়া যাবে কাঙ্খিত সেই আলুটিলা গুহা। গুহাটি খুবই অন্ধকার ও শীতল। কোন প্রকার সূর্যের আলো প্রবেশ করে না তাই মশাল নিয়ে ভীতরে প্রবেশ করতে হয়। একেবারেই পাথুরে গুহা এটি। গাঁ ছম ছম করা পরিবেশ। খুব সাবধানে পা ফেলে সামনে এগুতে হয়। কারন সুরঙ্গের ভীতরে কোন আলো নেই। সুরঙ্গের তলদেশ পিচ্ছিল এবং পাথুরে। এর তলদেশে একটি ঝর্না প্রবাহমান। তাই খুব সাবধানে মশাল বা আলো নিয়ে গুহা পাড়ি দিতে হবে। পা ফসকে গেলেই আহত হতে হবে।

    https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net...89031209_n.jpg

    Alutila Cave, Khagrachari,Bangladesh



    তবে অন্য কোন ভয় নেই। গুহাটি একেবারেই নিরাপদ। এর দৈর্ঘ প্রায় ৩৫০ ফুট। গুহার ভীতরে জায়গায় জায়গায় পানি জমে আছে, রয়েছে বড় বড় পাথর। গুহাটির এপাশ দিয়ে ঢুকে ওপাশ দিয়ে বের হতে সময় লাগবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। গুহাটি উচ্চতা মাঝে মাঝে এতটাই কম যে আপনাকে নতজানু হয়ে হাটতে হবে। সব কিছূ মিলিয়ে মনে হবে যেন সিনেমার সেই গুপ্তধন খোঁজার পালা চলছে। বিশ্বে যতগুলো প্রাকৃতিক রহস্যময় গুহা আছে আলুটিলা সুরঙ্গ তার মধ্যে অন্যতম।



    দেবতার পুকুর





    জেলা সদর থেকে মাত্র ০৫ কি:মি: দক্ষিণে খাগড়াছড়ি – মহালছড়ি সড়কের কোল ঘেষে অবস্থিত মাইসছড়ি এলাকার আলুটিলা পর্বত শ্রেণী হতে সৃষ্ট ছোট্ট নদী নুনছড়ি। মূল রাস্তায় বাস থেকে নেমে কিলো দুয়েক পায়ে হাঁটা পথ। নিজস্ব পরিবহন থাকলে তা নিয়ে আপনি সোজা চলে যেতে পারেন একেবারে পাদদেশে নদীর কাছে। হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হলে পাহাড়ের কোলে খানিকটা জিরিয়ে নিতে পারেন। যাওয়ার পথেই দেখা যাবে নুনছড়ি নদীর ক্ষীণ স্রোতের মাঝে প্রকান্ড পাথর। স্বচ্ছ জলস্রোতে স্থির পাথর আপনাকে মোহিত করবে। ছবি প্রেমিক পর্যটকরা এখানে ছবি তোলেন। সমুদ্র সমতল হতে ৭০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের চূড়ায় এই দেবতার পুকুর অবস্থিত।



    কথিত আছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের জল তৃঞ্চা নিবারণের জন্য স্বয়ং জল-দেবতা এ পুকুর খনন করেন। পুকুরের পানিকে স্থানীয় লোকজন দেবতার আশীর্বাদ বলে মনে করে। দেবতার অলৌকিকতায় পুকুরটি সৃষ্ট বলে এতো উঁচুতে অবস্থানের পরও পুকুরের জল কখনও শুকোয় না। প্রতি বছর চৈত্র সংক্রান্তিতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের হাজার হাজার নরনারী পূণ্য লাভের আশায় পুকুর পরিদর্শনে আসে। কিংবদন্তীর দেবতার পুকুরটি ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর কাছে পূজনীয়।





    মহালছড়ি হ্রদ



    কাপ্তাই বাঁধের ফলে কাপ্তাই হ্রদের পানি জমে নানিয়ারচর হয়ে মহালছড়ি পর্যন্ত এসেছে। বর্ষাকালে বিশাল জলরাশি জমাট হয়ে পরিণত হয় এক ফ্রিঞ্জল্যান্ডে। মহালছড়ি ডাকবাংলো হতে এ নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে যে কোন পর্যটক মুগ্ধ না হয়ে পারেন না। এ ছাড়া মহালছড়ি হতে এ হ্রদ দিয়ে রাঙামাটি যাওয়ার পথে দু’ধারের মনোরম ও নয়নাভিরাম দৃশ্য ভ্রমন পিপাসুদের ভাল লাগবেই।





    শতায়ুবর্ষী বটগাছ



    মাটিরাংগা উপজেলার খেদাছড়ার কাছাকাছি এলাকায় এ প্রাচীন বটবৃক্ষ শুধু ইতিহাসের সাক্ষী নয় এ যেন দর্শনীয় আশ্চর্যের কোন উপাদান। এ গাছের বয়স নিরূপনের চেষ্টা একেবারেই বৃথা। পাঁচ একরের অধিক জমির উপরে এ গাছটি হাজারো পর্যটকের কাছে দারুণ আকর্ষণীয়। মূল বটগাছটি থেকে নেমে আসা প্রতিটি ঝুড়িমূল কালের পরিক্রমায় এক একটি নতুন বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, ঝুড়িমূল থেকে সৃষ্ট প্রতিটি বটগাছ তার মূল গাছের সাথে সন্তানের মতো জড়িয়ে আছে। খাগড়াছড়ি কেউ যদি একবার আসেন তাহলে ভুলেও কেউ শতায়ু বর্ষী বটগাছ না দেখে ফিরে যান না।





    পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র



    খাগড়াছড়ি শহর থেকে মাত্র ৩ কি: মি: পূর্বেই কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। পাহাড়ের বুক চিড়ে রাস্তার দু’পাশে ফলের বাগান, স্বচ্ছ-স্থির জলরাশি, টিয়া সহ নানান প্রজাতির পাখি দেখে আপনি নিজেকে নতুনভাবে আবিস্কার করবেন আরেকবার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি এ কেন্দ্রটি। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী আসে শুধু সবুজের স্নিগ্ধতা মন্থনের আশায়। কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের অনিন্দ্য সুন্দর খামার যে কোন পর্যটককে মোহিত করার ক্ষমতা রাখে।





    রিছাং ঝর্না





    খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় অবস্থিত জেলার সবচাইতে বড় নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক ঝর্নাটির নাম হল রিছাং ঝর্না। শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয় এর ভিন্ন প্রকৃতি একে দিয়েছে আলাদা পরিচিত। আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র হতে ৪ কি.মি. পশ্চিমে মূল রাস্তা থেকে উত্তরে গেলেই ঝর্ণার কলধ্বণি শুনতে পাবেন। জেলা শহর থেকে ঝর্ণা স্থলের দুরত্ব সাকুল্যে ১১ কি: মি: প্রায়। হাজার ফুট নীচের উপত্যকায় দৃষ্টি পড়লে কোন অপূর্ব মুগ্ধতায় যে কেউ শিউরে উঠবেন। ঝর্ণার সমগ্র যাত্রাপথটাই দারুণ রোমাঞ্চকর। দূরের উঁচু-নীচু সবুজ পাহাড়, বুনো ঝোপ, নামহীন রঙীন বুনো ফুল এসব নয়নাভিরাম অফুরন্ত সৌন্দর্য আপনাকে এক কল্পনার রাজ্যে নিয়ে যাবে।



    পাহাড়ী আঁকাবাঁকা পথ আর পথের দুধারে জমে থাকা সবুজ বনানী যাত্রা পথের সব ক্লান্তি দুর করে দিবে। পুরোটা পথ আপনি গাড়ী নিয়ে যেতে পারবেন না। ঝর্নার কিছু আগেই গাড়ী থেকে নেমে পায়ে হেঁটে যেতে হবে। পাহাড়ী পথটা মোটেও আরামদায়ক নয়। আপনাকে একটি বাশের লাঠি নিয়ে নিতে হবে তাতে পরিশ্রম কম হবে। লাল মাটির পথ মাড়াতে মাড়াতে বুঝতে পারবেন পাহাড়ী জীবন কতটা কষ্টকর। এভাবে হাটতে হাটতে একসময় কানে ভেসে আসবে গমগম করে পানি পড়ার শব্দ। বুঝতে পারবেন এসে পরেছেন রিছাং ঝর্না কাছে।





    দৃষ্টিনন্দন সে ঝর্না। সত্যিই সৌন্দর্যের আধার রিছাং ঝর্না যেন প্রকৃতির এক অপার সৃষ্টি। পাহাড়ের প্রায় ১০০ ফুট উপর হতে ঝর্নার পানি নিচে পড়ছে। নিচে পড়ার পর তা আবার আরও ১০০ ফুট পাথরের ওপর গড়িয়ে নেমে আসে সমতলে। উপর হতে নেমে আসা স্ফটিক-স্বচ্ছ জলরাশি নির্ঝরের স্বপ্নের মতো অবিরাম প্রবাহমান। পাহাড়ের কোল ঘেষে পাথরের উপর দিয়ে পানি নিচে পড়ার ফলে একটি পিচ্ছিল পথের সৃষ্টি হয়েছে। আপনি একটু সাহসী হলেই সেই পানির স্রোতের সাথে নিচে নেমে আসতে পারেন। মেতে উঠতে পারেন জলকেলিতে।





    যেভাবে যেতে হবেঃ

    খাগড়াছড়ি হতে চান্দেরগাড়ী বা পাবলিক বাসে করে যেতে হবে আলুটিলা। আলুটিলা ভ্রমন শেষে যেতে হেবে সরাসরি রিছাং ঝর্না।



    ভগবান টিলা



    জেলার মাটিরাংগা উপজেলা থেকে সোজা উত্তরে ভারত সীমান্তে অবস্থিত ভগবান টিলা। জেলা সদর থেকে এর কৌণিক দূরত্ব আনুমানিক ৮৫ কি:মি: উত্তর-পশ্চিমে। ঘন সবুজের ভিতর আঁকা -বাঁকা রাস্তা দিয়ে যতই এগিয়ে যাবেন পাহাড়ের অপরূপ নৈসর্গে অপলক নেত্রে আপনি বিস্ময়-বিহবল হবেন। এ যেন বিধাতার নিজ হাতে গড়া পর্বত রূপসী। সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় ১৬০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এ টিলা সম্পর্কে কথিত আছে, এতো উঁচু টিলায় দাঁড়িয়ে ডাক দিলে স্বয়ং ভগবানও ডাক শুনতে পাবেন। প্রাচীন লোকজন তাই এ টিলাকে ভগবান টিলা নামকরণ করেছিলেন। চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার ভগবান টিলায় দাঁড়ালে সবুজের নৈসর্গ আর মাথার উপরের আকাশের নীলিমা দারুণ উপভোগ্য। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি আউট পোষ্টও আছে এখানে। সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে দাঁড়ালে মনে হয় আপন অস্তিত্ত্ব শূন্যের নি:সীমতায় হারিয়ে গেছে। ঘন সবুজ বাঁশের ঝোপ, নাম না জানা কোন পাখির ডাক, পাহাড়ের নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝর্নার জীবন্ত শব্দ - সবকিছু মিলিয়ে হারিয়ে যাওয়ার এক অনন্য লীলাভূমি। গহীন অরণ্যের এই উঁচু টিলায় বিডিআর এর তৈরী রেষ্ট হাউজটি আপনাকে পৃথিবীর যে কোন সুন্দর জায়গাকেও ভুলিয়ে দেবে। কোন এক জ্যোৎস্না রাতে নি:সীম অরণ্যের মাঝে কোন সাহসী পর্যটক যদি প্রকৃতিকে উপভোগ করতে চান তবে ভগবান টিলা তুলনাহীন।





    দুই টিলা ও তিন টিলা



    প্রকৃতির এক অপূর্ব বিস্ময় এই দুই টিলা ও তিন টিলা। জেলা সদর থেকে ৪২ কি:মি: দূরে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-মারিশ্যা রাস্তার কোল ঘেষে এই টিলায় দাঁড়ালে ভূগোলে বিধৃত গোলাকৃতি পৃথিবীর এক চমৎকার নমুনা উপভোগ করা যাবে। খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা এবং দীঘিনালা থেকে মারিশ্যার বাসে চড়ে আপনি অনায়াসেই যেতে পারেন এখানে। পাহাড় চূড়ায় দাঁড়িয়ে যেদিকে চোখ যায় মনে হয় যেন পৃথিবীর সমস্ত সবুজের সমারোহ এখানেই সমষ্টি বেঁধেছে। পাহাড়ের বুক চিড়ে সর্পিল রাস্তা নি:সর্গের এক নতুন মাত্রা বলে মনে হবে। দুই টিলার অচেনা দৃশ্য আপনার কল্পনাকেও হার মানাবে। মনে হবে এ যেন ক্যানভাসের উপর কোন বিখ্যাত চিত্রশিল্পীর তুলির আঁচড়। সারা মারিশ্যা ভ্যালী যেন পায়ের কাছে এসে জড়ো হয়েছে। যে কোন পর্যটকের কাছে এ দৃশ্যটি আকর্ষনীয়।



    মানিকছড়ি মং রাজবাড়ি

    জেলার মানিকছড়ি উপজেলার মং সার্কেলের রাজার প্রাচীন রাজবাড়ি এবং রাজত্বকালীন স্থাপত্য খাগড়াছড়ি জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। রাজার সিংহাসন, মূল্যবান অস্ত্রশস্ত্রসহ প্রত্নতাত্ত্বিক অনেক স্মৃতি বিজড়িত এ রাজবাড়ি। যদিও সুষ্ঠু সংরক্ষণ, যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে হারিয়ে গেছে অনেক কিছু। মং রাজার ইতিহাস, সংস্কৃতি জানা ও দেখার জন্য ঘুরে যেতে পারেন মং রাজবাড়ি।



    বন ভান্তের প্রথম সাধনাস্থল

    পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ ধর্মীয় মহাসাধক আর্য পুরুষ, আর্য শ্রাবক বুদ্ধ সাধনানন্দ মহাস্থবির বন ভান্তে। তাঁর জন্ম রাঙামাটি সদর উপজেলার ধনপাতা গ্রামে। সাধনাস্থল দীঘিনালা। বন ভান্তের প্রথম সাধনাস্থলকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ২০ একর ভূমির ওপর দীঘিনালা বন বিহার। এ বিহারে রয়েছে ২৩ ফুট উচ্চতার ধ্যানমগ্ন গৌতমবুদ্ধের মূর্তি, ১৩ ফুট উচ্চতার শিবলি মূর্তি, উপগুপ্ত বুদ্ধ (জলবুদ্ধ)সহ বিহার কমপ্লেক্সের স্থাপনা ও প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্য। এ সাধনাস্থলকে ঘিরে গড়ে ওঠা পানছড়ি অরণ্য কুটির, পেরাছড়া বন বিহার দেখলে যেকোনো পর্যটকের মন জুড়িয়ে যাবে।



    রামগড় লেক ও চা বাগান

    সীমানত্ম শহর রামগড় উপজেলা সদরে নান্দনিক সৌন্দর্যমন্ডিত কৃত্রিম লেক নানাদিক থেকে আনন্দ যোগায় পর্যটকদের। রামগড় সদরের খুব কাছেই বাগান বাজার এলাকায় পাহাড়ী পরিবেশে চা-বাগান ও পিকনিক স্পট। এখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন আদিবাসী সাওঁতালরা। আগ্রহ করে জানা যাবে তাদের জীবন ও জীবিকা সম্পর্কে। চা-বাগানের অভ্যনত্মরে রয়েছে শাপলা ফোটা বিশাল প্রাকৃতিক লেক। কিছুদিন পর এ লেকে আসবে শীতের নানান জাতের অতিথি পাখি।



    - MHJ ...
    eastwatch, Avisheik and PlanetSoldier thanked this.

  9. #174
    INT'L MOD Loki's Avatar

    Join Date
    Apr 2011
    Location
    Somewhere in the silence
    Posts
    12,416
    Thanked
    9476 times
    Users Country Flag: United States Users Location Flag: United States

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Quote Originally Posted by Avisheik View Post
    Horse race in Bangladesh








    Bangladesh has two indegenous horse breeds. Bangladesh Native horse and the Rajshahi pony.
    Oh! How I love horsies

  10. #175
    SENIOR MEMBERS Al-zakir's Avatar

    Join Date
    Nov 2008
    Location
    USA
    Posts
    6,748
    Thanked
    4715 times
    Users Country Flag: United States Users Location Flag: United States

    Default Re: Beautiful Bangladesh





    Tea Garden, Sylhet.









    eastwatch, kobiraaz, Avisheik and 3 others thanked this.

  11. #176
    MEMBER maria khan's Avatar

    Join Date
    Jun 2012
    Location
    muzaffarabad AJK
    Posts
    25
    Thanked
    72 times
    Users Country Flag: Pakistan Users Location Flag: Pakistan

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    beautifulllllllllllllllll.................
    eastwatch, DarkPrince and boltu thanked this.

  12. #177
    FULL MEMBERS boltu's Avatar

    Join Date
    Mar 2012
    Location
    Dhaka
    Posts
    679
    Thanked
    1059 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Bangladesh

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Some pics taken by me,sorry for low resolution







    eastwatch, kobiraaz, Avisheik and 3 others thanked this.

  13. #178
    SENIOR MEMBERS eastwatch's Avatar

    Join Date
    Jun 2008
    Location
    Tokyo
    Posts
    6,317
    Thanked
    5121 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Japan

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Quote Originally Posted by Al-zakir View Post




    Tea Garden, Sylhet.









    So, you have finally come with beautiful pictures. But, do not upload all the pictures in a short time. Let us enjoy the beauty of nature in a slow pace. I wish for a longer life of this thread of a 'Beautiful Bangladesh.'
    Al-zakir thanked this.

  14. #179
    ELITE MEMBERS Roybot's Avatar

    Join Date
    Dec 2010
    Location
    Sydney
    Posts
    12,125
    Thanked
    19249 times
    Users Country Flag: India Users Location Flag: Australia

    Default Re: Beautiful Bangladesh

    Bangladesh sure looks a lot more scenic in photos than it does in real life.
    eastwatch thanked this.

  15. #180
    SENIOR MEMBERS kobiraaz's Avatar

    Join Date
    Oct 2010
    Location
    Classified
    Posts
    7,861
    Thanked
    9539 times
    Users Country Flag: Bangladesh Users Location Flag: Palestinian Territory

    Default Re: Beautiful Bangladesh



    ^ Roy, i was just browsing and came across this thread...
    Seems like all tourists who have been to Bangladesh and India agreed on that Transport in BD is better than India, BD is cheaper safer more welcoming than India..

    Back from India , Bangladesh, and Sri Lanka [Archive] - Bimmerfest - BMW Forums

    Back from India , Bangladesh, and Sri Lanka [Archive] - Bimmerfest - BMW Forums

    . My question is how do you people attract tourist to your country??? You guys even worse than BD!

    Bangladesh/India, are they that much different? - Lonely Planet travel forum

    Bangladesh/India, are they that much different? - Lonely Planet travel forum
    boltu, M.H.J. and PlanetSoldier thanked this.


Thread Information

Users Browsing this Thread

There are currently 2 users browsing this thread. (1 members and 1 guests)

  1. DauD0

Similar Threads

  1. Beautiful Sri Lanka
    By Lankan Ranger in forum General Images & Multimedia
    Replies: 60
    Last Post: Today, 02:15 PM
  2. beautiful UK........
    By khanz in forum General Images & Multimedia
    Replies: 139
    Last Post: 10-23-2012, 10:10 PM
  3. Beautiful Woman or Beautiful Child?
    By Lankan Ranger in forum General Images & Multimedia
    Replies: 9
    Last Post: 12-12-2010, 05:43 PM
  4. Beautiful, beautiful Bollywood.
    By Rabzon in forum Members Club
    Replies: 15
    Last Post: 02-04-2009, 12:47 AM
  5. Replies: 9
    Last Post: 10-15-2007, 06:23 PM

Tags for this Thread

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •